মঙ্গলবার , ১৯ এপ্রিল ২০২২ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ঈশ্বরদী
  5. করোনাভাইরাস
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. গল্প ও কবিতা
  10. চাকরির খবর
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. নির্বাচন
  14. পাবনা
  15. ফিচার
Ticker news is only displayed on the front page.

ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে

প্রতিবেদক
বার্তা কক্ষ
এপ্রিল ১৯, ২০২২ ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মহিলা মেম্বারের বিরুদ্ধে

ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার পারভিন খাতুনের বিরুদ্ধে লাইলী আক্তার নামক এক প্রতিবন্ধী মহিলার কাছে থেকে প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য ৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

ঈশ্বরদীর উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের সড়ইকান্দীর নয়াপাড়া গ্রামের তাইজদ্দীন এর স্ত্রী সাংবাদিকদের এ অভিযোগের কথা জানান ৷

তিনি আরো জানান, মুলাডুলি ইউনিয়ন এর ৪,৫,৬ নং মহিলা সংরক্ষিত আসনের মেম্বার পারভিন খাতুন প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করার জন্য প্রথমে ৫০০ টাকা নেয় তারপর আবার ৫০০ টাকা নেয় ৷

এরপর কার্ড চূড়ান্ত করার জন্য ৫ হাজার টাকা নেন মহিলা মেম্বার। এরপর এখানে সেখানে অফিসে আসা৷ যাওয়ার জন্য ও কাগজপত্র ফটোকপি করার জন্য ১ হাজার টাকা নেন।

এ মিলিয়ে সর্বমোট ৭ হাজার টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন৷ তিনি সাংবাদিকদের আরো জানান তার স্বামী ভ্যানগাড়ি চালায়ে সংসার চালায় এতে ভাতার কার্ড করার জন্য মানুষের কাছে থেকে ঋণ করে ভাতার কার্ড করতে দেন মহিলা মেম্বারের কাছে। তারপর ঋণের বিষয়টি তার স্বামী জানতে পেরে অনেক রাগারাগি করে।

ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য মুলাডুলি ইউনিয়ন এর ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মঙ্গলবার ১৯/০৪/২০২২ ইং তারিখে মুলাডুলি ইউনিয়ন পরিষদে সকাল ১১ টায় আসেন কথা বলব৷

এরপর সাক্ষাতে গেলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনা অস্বীকার করে এরিয়ে যান এবং তার স্বামীকে পরিষদে ডেকে আনেন। এরপর তার স্বামী উপস্থিত হয়ে সরাসরি এসে সাংবাদিকদের থানায় মামলা করব বলে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে মুলাডুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেক মালিথার সাথে কথা হলে তিনি জানান যেই ঘটনা রটে সেটা অবশ্যই কিছুনা কিছু ঘটে, তবে আমার ইউনিয়ন পরিষদের কেও যদি এরকম দুই নাম্বার কাজের সাথে যুক্ত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে, এবং অভিযোগকারী প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির কাছে থেকে ৭ হাজার টাকা নেওতার কথা যদি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন হয় তাহলে তার প্রতিবন্দী ভাতা কার্ড বাতিল করে দেওয়া হবে ।

সর্বশেষ - ঈশ্বরদী

<p>দুঃখিত,এই ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি কপি করা নিষিদ্ধ</p>