সোমবার , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ঈশ্বরদী
  5. করোনাভাইরাস
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. গল্প ও কবিতা
  10. চাকরির খবর
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. নির্বাচন
  14. পাবনা
  15. ফিচার
Ticker news is only displayed on the front page.

বিএসআরআই কতৃর্ক সাথী ফসল প্রকল্পে অর্থ আত্বসাৎ, প্রদশর্নী প্লট তদন্ত ও পিডি প্রত্যাহারের দাবি

প্রতিবেদক
বার্তা কক্ষ
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২ ১০:২০ পূর্বাহ্ণ

ডিজি আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ শিরোনামে গত সোমবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক আমাদের ঈশ্বরদীর অনলাইনে। প্রতিবেদন প্রকাশের পরই টনকনড়ে ডিজি আমজাদ হোসেনের। নিজের অপকর্ম ঢাকতে প্রকল্প পরিচালকের মাধ্যমে সাথী ফসলের গুণগান তুলে ধরছেন।

কৃষকের আয় বৃদ্ধির জন্য চালু করা হলে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) কতৃর্ক গৃহিত সাথী প্রকল্পে লাভ হয়নি কৃষকের। কৃষককে নামমাত্র টাকা দিয়ে মোটা অংকের টাকা আতসাৎ করেছে কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞানীরা ৪৪৯ টি সাথী ফসল প্রদর্শনী প্লট সরজমিন তদন্তের দাবি করেছে। তদন্ত করলে অর্থ আত্মসাতের থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে বলে মনে করছেন তারা। সাথী ফসল প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ড. আবু তাহের সোহেলকে প্রত্যাহার করলে তদন্ত সহজ হবে বলেও মনে করেন এই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা।

সাথী ফসল প্রকল্পসূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরদীস্থ বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিটে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদেরকে সহায়তাকল্পে আখের সাথে সার্থী জাতীয় ফসল হিসেবে ডাল, মসলা ও সবজি জাতীয় ফসল উৎপাদন প্রকল্প নামে ৩ বছর মেয়াদী প্রকল্পটি ২০২১-২২ অর্থবছর হতে শুরু হয়েছে। ১৫টি সুগার মিল এলাকায় এই প্রকল্প কাজ চলছে। চলতি বছরে ২ কোটি ২ লক্ষ টাকা বাজেটের ৮৫% অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে। ২০২১-২২ মৌসুমে ৪৪৯ জন কৃষকের জমিতে প্রদর্শনী প্লট করার কথা ছিল।

আখ একটি দীর্ঘমেয়াদী ফসল। তাঃক্ষনিক অর্থ না আসায় কৃষকেরা দিন দিন আখ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে। আখ চাষে দুই সারির মধ্যবর্তী স্থানে ফাঁকা জমি অব্যবহৃত হয়ে পড়ে থাকে। ঐ ফাঁকা জমিতে সাথী ফসল হিসেবে ডাল, মসুর, মসলা, সবজি চাষ করিয়ে কৃষকদের আর্থিকভাবে লাভবান করানো এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলেও বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিটে কতৃর্ক গৃহিত সাথী প্রকল্পে ব্যতিক্রম।

প্রকল্পসূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে সাথী ফসল গবেষণা কর্মসূচির জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি টাকা। প্রতিটি প্লটে কৃষকদের ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কৃষক পর্যায়ে কম টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । মাত্র ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে এই তথ্য জানা যায়। তারা বলেন, শুরুতে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে পরে আর কোন যোগাযোগ করেনি কেউ। ফলে নামমাত্র এই অর্থ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন কৃষক। তারা বলেন, আমরা লেখাপড়া জানি না। শুনেছি অনেক টাকা পাব কিন্তু এই টাকা দিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। আমরা এই টাকা আর নিতে চাইনা। সরকারের দূর্নীতি দমন কমিশন রয়েছে শুনেছি তাদের দিয়ে এই প্রকল্পের সকল প্লটের দূনীতি তদন্ত করার কথা বলেন ভুক্তভোগী কৃষকরা। তদন্ত করলে প্রকৃত তথ্য বের হয়ে আসবে বলে মনে করেন তারা।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে সাথী ফসল গবেষণা কর্মসূচির পরিচালক ড. আবু তাহের সোহেল বলেন, আমি প্রকল্প মনিটরিং করেছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। এসময় মোবাইলে কোন তথ্য না নিয়ে অফিসে আসার কথা বলেন এই কর্মকর্তা।

সর্বশেষ - ঈশ্বরদী

<p>দুঃখিত,এই ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি কপি করা নিষিদ্ধ</p>